Category
 


সব সময় পরে থাকার জন্য ছোট গয়না
খুব জমকালো অনুষ্ঠান ছাড়া আজকাল ভারী গয়নার চল নেই বললেই চলে। ছোট-হালকা আকর্ষণীয় ধরনের গয়নার দিকেই সবার ঝোঁক। হোক না সে কর্মজীবী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজপড়ুয়া। ‘ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই গয়না পরা উচিত। বিশেষ করে কর্মজীবী নারীর ক্ষেত্রে। যাতে তাঁর কাজের পরিবেশের সঙ্গে গয়নার ধরনটা মানিয়ে যায়।’ মনে করেন ফ্যাশন ডিজাইনার মাহিন খান।

কোন ধরনের গয়না পরবেন
হালকা গড়ন কিন্তু আভিজাত্য আছে এমন গয়না পরতে অনেকেই পছন্দ করেন। অফিসে প্রতিদিনের জন্য গলায় পেনডেন্ট, ছোট চেনের সঙ্গে লকেট, টেরাকোটার কাজের গয়নাও পরা যেতে পারে। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, স্যুট-টাই যেকোনো ধরনের পোশাকের সঙ্গে সহজেই এসব গয়না মানিয়ে যায়। সঙ্গে হাতের আঙুলে দু-একটি আংটিও পরতে পারেন। তরুণীরা পায়ের সাজেও বেশ মনোযোগী। পায়েল বেশি মানানসই ক্যাপ্রি, স্কার্টের সঙ্গে। পুঁতি, রুপা ও পাথর বসানো পায়েলের চাহিদা বেশি। পা-কে আকর্ষণীয় করতে চাইলে মেহেদি লাগিয়ে আংটি পরতে পারেন। নাকফুল ও নথের আবেদন তো সবসময়ই আছে। সব সময় পরার জন্য চিকন রিং বা ছোট্ট একটা পাথরই নাকে মানায় ভালো।
আড়ংয়ের বিপণন কর্মকর্তা সাদিয়া হক জানান, হালফ্যাশনে মুক্তার গয়না বেশি চলছে। কানে মুক্তার ছোট টপ বা হাতে একটি এক লহরের ব্রেসলেট পরলে স্বস্তিও আসে, ফ্যাশনও হয়। গলায় পরলেন এক লহরের মুক্তার মালা। ব্যস, হয়ে গেল আপনার সাজ। সাদা, সবুজ, সোনালি ও গোলাপি রঙের মুক্তা সব রঙের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। শিপন ও ক্রেপ শাড়ির সঙ্গে মুক্তার গয়না ভালো দেখায়। অনেকে রুপার গয়না পরতে পছন্দ করেন। স্বল্প উজ্জ্বল, ম্যাট ধরনের অক্সিডাইজ, সাধারণ রুপা—গয়না হিসেবে এখন ব্যবহূত হচ্ছে। গরমও পড়তে শুরু করেছে। এ জন্য হালকা ধরনের গয়না স্বস্তিদায়ক হবে। জিনস-ফতুয়ার সঙ্গে ধাতু, মাটি, কড়ি এমনকি কাচের গয়নাও ভালো লাগে। এসব ছোট গয়না পরে যেতে পারেন যেকোনো অনুষ্ঠানে। সে ক্ষেত্রে পোশাকটা একটু জমকালো হওয়া উচিত। চিকন পাড়ের রাজশাহী সিল্ক, এক রঙের শাড়ি ভালো লাগে ছোট গয়নার সঙ্গে। জরিপাড়, জামদানি শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন সোনারঙা ছোট গয়না।
‘গয়নায় স্বর্ণের ব্যবহার এখন কমে গেছে। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে সব সময় স্বর্ণ পরা যায় না। তাই অফিস বা বাড়িতে ছোট গয়না পরা হয়। পাথর, মুক্তা, কাঠ ও মাটি সব ধরনের গয়না পরা যায়’। জানান সংবাদ উপস্থাপক ফারহানা নিশো।

যত্নআত্তি
হালকা গয়নাগুলো সাধারণত সারা দিনই পরে থাকা হয়। ফলে ধুলোবালি, ঘাম তো লেগেই থাকে। তাই এসব গয়নার জন্য বিশেষ যত্ন প্রয়োজন হয়। মুক্তার মালার সুতা শক্ত কি না তা দোকানেই দেখে নিতে হবে। এ ছাড়া পাথরের গয়না কেনার সময় আঠাটা পরখ করে নিন। গয়না পরার আগেই পারফিউম বা বডি স্প্রে লাগিয়ে নিন। নিজের ঘামও মুছে নিন। রুপার গয়না বাতাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিডাইজ হয়ে যায়। তাই রুপার গয়না পরলে তা কালো হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে জন্য তেঁতুল, লেবুর রস বা সিরকার সঙ্গে পানি মিশিয়ে তাতে গয়নাটা ডুবিয়ে হালকাভাবে ঘষে নিন। কালচে ভাবটা দূর হয়ে যাবে। এ ছাড়া যেকোনো গয়নাই তুলে রাখার সময় মুছে রাখা উচিত। গয়না তুলা বা টিস্যুতে মুড়িয়ে রাখলে ভালো থাকে।

কোথায় পাবেন
আড়ংয়ে পাবেন চাষ করা মুক্তার গয়না। দাম নির্ভর করে রং ও আকারের ওপর। এখানে মুক্তার ছোট টপ ২৫-৩০০, রুপার কানের ছোট দুল ১০০-২০০০, লকেট ১০০০-৪০০০, নেকলেস ২৫০-২০০০, পায়েল ১৫০-৫০০ টাকায় পাবেন। স্বর্ণ ও হীরার নাকফুল ৩৫০-২০০০, হীরার আংটি ৫০০০-৪৫০০০, পেনডেন্ট ৭০০-৪০০০ টাকার মধ্যে পাবেন। হীরার দামটা নির্ভর করে ক্যারট ও আকারের ওপর। এক লহরের মুক্তার মালা পাবেন ১৭০০-৬০০০ টাকায়। মায়াসিরে ছোট গয়না পাবেন ২৫০-৬০০ টাকার মধ্যে। জেনেটিক প্লাজা, যাত্রা, রঙ, হলমার্ক, আর্চিসে পাবেন নানা বৈচিত্র্যের ছোট গয়না। এ ছাড়া এসব গয়না নিউমার্কেট, গাউছিয়া ও চকবাজারেও পাবেন।

02-18-2010






shundor oti shundor.

rahi
2010-03-04 23:03:58


Add Comments  
Your Name *
Your Email *
Comments/feedback *
2+2=? *
 
  * Required Field
 

  Advertisement