Jokes Category
|
Jokes:
প্রেমিক-প্রেমিকা
প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথন— প্রেমিক: আমি মনে হয় তোমাকে বিয়েটা করতে পারব না। প্রেমিকা: এত দিন পর এ কথা বলছ কেন? কেন, কী হয়েছে বলো তো শুনি? প্রেমিক: না, তেমন কিছু না। আমার বাসা থেকে নিষেধ আছে। প্রেমিকা: তা তোমার বাসায় কে কে আছেন? প্রেমিক: বেশি না। আমার এক স্ত্রী আর তিন সন্তান। Shorif CNB, Rajshahi, Bangladesh জেবা জানিস, আমার প্রেমিক সবাইকে বলে বেড়ায় সে একটা সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। : ছিঃ ছিঃ ! এতদিন তোকে বিয়ে করবে বলে এখন কিনা এই মতলব ? প্রেমিক প্রেমিকা একসঙ্গে বসে সিনেমা দেখছে। এমন সময় একটা মশা ঢুকে পড়লো মেয়েটির স্কার্টে। মশাটি মেয়েটির কোথায় কামড়ে ছিল বলতে পারেন? উঁহু, দুষ্টু ভাবনা গুলো মনে ঠাঁই দেবেন না। মশাটা কামড়েছিল ছেলেটির হাতে। একপোলার লগে আরএক মাইয়ার পিরীত আছিল। মাইয়া একদিন পুলারে দাওয়াত দিয়া কইল, আইজ আইয়ো আমাগো বারিতে, মা-বাবার লগে তোমারে পরিচয় করাইয়া দিমুনে, হ্যারপরে রাতে ------------ :-P ;) পুলাতো খুশিতে বাকবাক। তহনি ছুইটা গেল ডাক্তরের দোকানে কনডম কিনতে :) ডাক্তর বেডা পুলার খুশি দেইখা পাম-পট্টি দিয়া পুরা ফ্যামিলি প্যাক গছাইয়া দিল। লাফাইতে লাফাইতে সন্ধ্যায় গিয়া হাজির হইল মাইয়াগো বারিত। শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর (হবু) সামনে যাইয়া পুলা সালাম দিয়া হেইযে মাথা নিচু করল, মাথা উচুই করেনা, আধাঘন্টা পার হইয়া গেল, মাথা আর উডেনা। হবুদের উপর সম্মান দেইখা মাইয়াতো আহলাদে গদগদ। পুলার কানের কাছে ফিসফিস কইরা কইল, তুমি আমার বাবা-মারে সম্মান করো জানতাম, তয় এত সম্মান করো তাতো জানতাম না :D পুলা রাগে রাগে উত্তর দেয়, হেইডা ঠিক আছে, কিন্তু আমিও তো জানতাম না, তোমার বাপে কনডম বেচে। ইদানিং ছেলেটা খুব বিরক্ত করছে মেয়েটিকে। স্কুলে যাবার পথে, বাড়ি থেকে বের হলেই পিছু নিত মেয়েটির। একদিন ছেলেটি হুট করে মেয়েটির বাড়িতে হাজির। তাকে দেখেই মেয়েটি বিরক্ত হয়ে বলল, আমার বাড়িটা কি রেল স্টেশন? যখন তখন ঢুকে পড়বেন আপনি? ছেলেটা পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করতে বলল, টিকেট কেটে আসতে হবে? মেয়েটির ঝটপট উত্তর, যান কাউন্টারে বাবা বসে আছেন? বাবা-মাকে না জানিয়ে ছেলে বিয়ে করে বউ নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। বউ দেখেই বাবার চক্ষু চড়কগাছ। মেয়ে দেখতে মোটেই সুন্দরী নয়। বাবা ছেলেকে পাশের ঘরে ডেকে ফিসফিস করে বলছেন, তুই এটা কী করলি, রাস্তা থেকে একটা মেয়ে ধরে এনে বিয়ে করলি? এ মেয়ের না আছে রূপ, না আছে সৌন্দর্য! একটা ভালো দেখে মেয়ে বিয়ে করতি আমার আফসোস থাকত না। ছেলে বলল, এত আস্তে বলার কোন দরকার নেই বাবা, জোরে বল। এই মেয়ে কানেও শোনে না। প্রেমিকঃ প্রিয়া, দারুন একটা মুভি এসেছে। হাউসফুল যাচ্ছে। তিনটা এডভান্স টিকিট কেটে এনেছি। প্রেমিকাঃ তিনটা টিকিট কেন? আমরা তো মাত্র দুজন! প্রেমিকাঃ টিকিট তো আমাদের জন্য আনিনি। এনেছি তোমার মা, বাবা আর ভাইয়ের জন্য। তারা সিনেমা দেখতে গেলেই আমি চলে আসব। এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো। গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল। ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটি বলল-"আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ২০০০ টাকা।" ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ নগ্ন দেহে আদিম খেলায় মত্ত হলো। দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল। তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-"আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।" ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-"ও তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ২৫০০টাকা।" এক ডেপো ছোকরা একজন কন্যার পিতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন স্যার প্রেম জিনিসটা কেমন ? কন্যার পিতাঃ প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃনা করি। ছোকরাঃ আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি। ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে | সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি | যে জিতবে লিন্ডা তার হবে | বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল | পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে | বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল | ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে | সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই | আমেরিকার এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ করলো। সময় মত মধ্যরাত্রিতে সে মই বেয়ে প্রেমিকার জানালা পর্যন্ত উঠলো। জানালার কাঁচে টোকা দিল প্রেমিক। মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জানালা খুললো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, "তুমি তৈরী?" মেয়েটি বলল, হুশশশ! আমার ভয় করছে, বাবা যদি আমাদের ধরে ফেলেন। ছেলেটি নির্বিকার ভাবে বলল, তাতে কি? তিনিতো নিচে আমার মই ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। প্রেমিকাঃ তুমি আমার জন্য তাজা ফুল না এনে প্লাস্টিকের ফুল কেন এনেছ??? প্রেমিকঃতাজা ফুল বেশি সময় তাজা থাকে না | তোমার জন্য নিচে অপেহ্মা করতে করতেই ওই ফুল শুকিয়ে যায় | এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে- কোথাও সে খুজেঁ পাচ্ছেনা, খুজঁতে খুজঁতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনায় এসে বিশ্রাম করছে। পার্কের অপর এক কোণে বসে 'কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর, কপত কপতিকে বলছে - আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরো পৃথিবীটাকেই দেখি। এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারানো লোকটি উঠে এসে বলে - আমি আমার গরুটা খুঁজে পাচ্ছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুঁজে দেখে বলুন তো আমার গরুটা কোথায় আছে। নরক সত্যিই আছে শোভা– বুঝলি সোমা,আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি অয়নকে বিয়ে করব না। সোমা– সে-কি-রে,পাঁচ বছর ধরে প্রেম করলি,এখন বিয়ে করবি না কেন? শোভা– জানিস,অয়ন একেবারে নাস্তিক। সোমা– ও নাস্তিক তাতে তোর কি,তুই তো আর নাস্তিক নোস। শোভা– ও নরক আছে বলে বিশ্বাস করে না।ভয়ানক ব্যাপার নয়? সোমা– ঘাবড়াচ্ছিস কেন,বিয়েটা হতে দে।কয়েকদিনের মধ্যেই বাছাধন বুঝে যাবেযে,নরক সত্যিই আছে ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল। সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব!!! এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে, : আমার যা কিছু আছে সব তোমার। প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে, : তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না? প্রেমিক প্রেমিকার কথোপকথন- : বলো তো পৃথিবীর প্রথম প্রেমিক প্রেমিকা কে? : আদম আর ইভ। : গুড। এবার বলো তো ইভ আদমকে প্রথম কোন কথাটি বলেছিলো? : এটা বেশ শক্ত। : ভেরি গুড; এটাও পেরেছ। প্রেম চলাকালীন সময়ে প্রেমিকা প্রেমিককে বলল, এত জোরে না সোনা , প্লিজ। আমার হার্ট দুর্বল। প্রেমিক আশ্বস্ত করল, ভয় পেও না, এটা অতদূর যাবে না। : এইবার ভ্যালেন্টাইনেও দেখলাম একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছিস ? তোর একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল যে সে কই? : আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। : কেন কেন... তোদের তো কঠিন ভালোবাসা ছিল। সুখের ঘরে দুঃখের আগুন লাগাইল কে? : আর বইলেন না , ও একদিন কাপড় পাল্টানোর সময় আমি দুর্ঘটনাবশত ওর ঘরে ঢুকে পড়ি।এরপরই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। : কেন তুই সব দেইখা ফেলছিস বইলা? : আরে না আমি নিজের চোখ ঢেকে ফেলেছিলাম বলে। : কিরে তোর চশমা ভাঙ্গল কিভাবে? : আর বলিস না। ওকে চুমু খেতে গিয়েছিলাম। : কি আশ্চর্য ! চুমু খেলে চশমা ভাঙ্গে নাকি? : না ইয়ে মানে...ও হঠাৎ দুই উরু দিয়ে চাপ দিল তো... জরিনার বাবা জরিনার জন্য পাত্র ঠিক করেছে। এদিকে জরিনার সাথে পাভেলের ৫ বছরের অ্যাফেয়ার। এটা বাবাকে জানাতেই জরিনার সুইট বাবা নিমিষেই টিপিক্যালি #বাবা কেন ভিলেন?# টাইপ আচরণ শুরু করল। এটা নিয়ে বাবা মেয়েতে তুমুল ঝগড়া। খাওয়া বন্ধ, মুখ দেখাদেখি বন্ধ ইত্যাদি মোটামুটি শেষ হবার পর অবশেষে তারা একটা ঐক্যমতে পৌছাল। ঠিক হল নদীর অপরপাড় থেকে পাভেল ও বাবার ঠিক করা পাত্র দুজনেই সাঁতার কেটে এপারে আসবে। যে আগে আসতে পারবে জরিনা তারই হবে। যথাসময়ে প্রতিযোগিতা শুরু হল। শুরুতে দেখা গেল বাবার ঠিক করা পাত্রটি এগিয়ে গেছে। জরিনা তো ভয়ে আধমরা কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পাভেল তাকে ধরে ফেলল। জরিনা খুশিতে হাততালি দিচ্ছে আর চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছে পাভেলকে। একপর্যায়ে প্রেমিকের শক্তি আরো বাড়ানো এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য একপর্যায়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তার সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলল।এরপর হঠাৎ করে পাভেলের সাঁতারের গতি বেড়ে গেলেও তা আস্তে আস্তে কমে পাড়ের কাছাকাছি এসে একেবারেই থেমে গেল।বাবার ঠিক করা পাত্রটি জিতে গেল প্রতিযোগিতায়। পরে আনেক কষ্টে পাভেল পাড়ে ওঠার পর জরিনা রেগেমেগে বলল, তোমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এতকিছু করলাম তাও জিততে পারলে না। ছিঃ, কাপুরুষ কোথাকার। পাভের ও সমান তেজে জবাব দিল সব দোষ তোমার, কে বলেছিল তোমাকে কাপড় খুলতে ? তুমি কাপড় খোলার পরপরইতো আমার প্রাইভেট পার্ট নদীর তলদেশের লতাগুল্মের সাথে আটকে যেতে লাগল। প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাস? প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো? প্রেমিকাঃ ধরো তোমার সার্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে? জরুরি টাকাটায় প্রেমিকা চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেনো পারবো না, একশবার পারবো | তবে পরীক্ষা তারিখটা একটু পিছানো যায় না | প্রেমিক : তোমার প্রেমে পড়ার পর থেকে আমি কিছুই খেতে পারছি না। পরতে পারছি না ,কিছুই করতে পারছি না। প্রেমিকা : তুমি আমাকে এতই ভালোবাস? প্রেমিক : না তা নয়। আসলে তোমার পেছনে খরচ করে আমি দেউলিয়া হয়ে গেছি। ভ্যালেন্টাইনের প্রথম প্রহরে অর্থাৎ রাত বারটায় প্রেমিক-প্রেমিকার ফোনালাপ- :বিশ্বাস কর লক্ষিটি আমি শুধু তোমাকেই ভালবাসি। আপরপ্রান্তে অবিশ্বাসমাখা কন্ঠে... :সত্যি বলছো তো? তাহলে বলো তো কে আমি? :না ইয়ে মানে আননোন নাম্বার থেকে করেছো তো তাই চিনতে পারছি না। তাই বলে আবার রাগ কোরো না প্লিজ তোমার গলা তো আমার যুগ যুগ ধরে চেনা। এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে বহুদিন ধরে ছেলে আর মেয়েটি দেখা করছে। সম্পর্ক বেশ অন্তরঙ্গ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু ছেলেটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেই না। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি বলল, তোমার কি মনে হয় না, আমাদের বিয়ে করার সময় হয়েছে? দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ছেলেটি বলল, এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে, বলো? |
|