Jokes Category
 
Jokes: খেলাধুলা
নেটে অনুশীলনের সময় কোচ দেখলেন, কোনো ব্যাটসম্যানই ফাস্ট বোলারদের সামলাতে পারছেন না। খেপে গিয়ে তিনি নিজেই ব্যাট হাতে দাঁড়ালেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি নিজেও প্রথম বলে আউট হয়ে গেলেন। এরপর তিনি ব্যাটসম্যানদের উদ্দেশে চেঁচিয়ে বললেন, ‘ঠিক এভাবেই তোমরা ব্যাট করছিলে। এবার ভালো কিছু করার চেষ্টা করো।’


ফুটবলে জিনিয়াস বলে কিছু নেই। জিনিয়াস একজনই। তিনি নরম্যান আইনস্টাইন।—নরম্যান আইনস্টাইন, ইএসপিএন চ্যানেলের ঘোষক ও সাবেক ফুটবলার।

ছেলেরা, তোমরা তোমাদের নামের আদ্যক্ষর অনুসারে উচ্চতা অনুযায়ী সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াও।—হিউস্টন অয়েলার্সের কোচ বিল প্যাটারসন।

যখন আমি ছোট ছিলাম, তখন থেকেই আমি বড়।—উইলিয়াম পেরি, সাবেক ফুটবলার, শিকাগো বিয়ার্স।

আমি মনে করি, আমিই সেরা। কিন্তু আমি কখনোই তা বলব না।—জেরি রাইস, ফুটবলার, সান ফ্রান্সিসকো।

পেশাদার ফুটবল হলো পারমাণবিক যুদ্ধের মতো, কেউ জেতে না, শুধু টিকে থাকে।—ডগ প্ল্যানক, সাবেক আমেরিকান ফুটবল কোচ।

রাগ ঝাড়ার একটি চমৎকার উপায় হলো ফুটবল, এতে জেলে যাওয়ারও কোনো ভয় নেই।—ডেভ ব্যারি, আমেরিকান লেখক।

আমরা দৌড়াতে পারি না, পাস দিতে পারি না, দৌড় থামাতে পারি না, পাস ঠেকাতে পারি না, বলে লাথি মারতেও পারি না। তা ছাড়া এই মুহূর্তে আমাদের আর সবই ঠিক আছে।—হেউড হেলি ব্রন।

তিনি সেই ফুটবলারদের একজন, যাদের মস্তিষ্ক থাকে হাতে।—মিক লায়ন্স, সাবেক ইংলিশ ফুটবলার।

হাফ টাইমে আমি ওদের যা বলেছি, তা রেডিওতে ছাপার অযোগ্য।—গেরি ফ্রান্সিস, সাবেক ইংলিশ ফুটবলার।

ফুটবল যদি না থাকত, তাহলে আমরা সবাই হতাশ ফুটবলার হতাম।—ব্রায়ান রবসন, ইংলিশ ফুটবল কোচ।

ম্যাচ জেতার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে টোটেনহ্যাম। জিততে পারলে তারাই হবে লন্ডনের কাপজয়ী সর্বপ্রথম দল। লন্ডনের পক্ষে সর্বশেষ কাপ জয় করেছিল ১৯৭৩ সালে সপার্স সাইড।—ডেরেক রে, ইএসপিএন চ্যানেলের ঘোষক।

আমি কখনোই রেফারিদের সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করিনি। আজকে ওই গাধার কারণে আমার এই অভ্যাসের কোনো ব্যতিক্রম হবে না।—নরম্যান হোয়াইটসাইড, সাবেক আইরিশ ফুটবলার।

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটলে আমরা আবার আগের মতো ফলাফল আশা করতে পারি।—ব্রায়ান মুর, ধারাভাষ্যকার।
দুই দলই দুটি করে গোল দিয়েছে। দুই দলই দুটি করে গোল খেয়েছে।—পিটার উইট, ধারাভাষ্যকার।

মার্সিসাইড ডার্বি দলের খেলোয়াড়েরা সাধারণত ৯০ মিনিট টিকে থাকেন। আশা করি আজও এর ব্যতিক্রম হবে না।—জন মটসন, ধারাভাষ্যকার।

যারা সাদা-কালো টিভিতে খেলা দেখছে, তাদের জন্য বলছি—হলুদ দলটি হলো স্পার্স।—জন মটসন, ধারাভাষ্যকার।

বেশির ভাগ ফুটবল দলই টেম্পারামেন্টাল। ৯০% টেম্পার, ১০% মেন্টাল।—ডগ প্ল্যানক, সাবেক আমেরিকান ফুটবল কোচ।

ফুটবল একেবারে সহজ খেলা, যদি আপনি পুরোপুরি উন্মাদ হন।—বো জ্যাকসন, সাবেক আমেরিকান ফুটবলার।

জয়লাভই যদি সবকিছু না হয় তাহলে স্কোরের হিসাব রাখার কী দরকার?—ডাফি ডগার্থি, আমেরিকান ফুটবলার ও কোচ।

আমি নির্বোধ হতে পারি, তাই বলে বোকা নই।—টেরি ব্রাড শ, সাবেক আমেরিকান ফুটবলার।

কলেজ-ফুটবলের সঙ্গে শিক্ষা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ঠিক যেমনটি ষাঁড়ের লড়াইয়ের সঙ্গে কৃষি।—এলবার্ট হাবার্ড, আমেরিকান লেখক।

একজন রাজনীতিবিদ হওয়া অনেকটাই ফুটবল কোচ হওয়ার মতো। উভয় ক্ষেত্রেই আপনাকে খেলাটা ভালোভাবে বোঝার মতো স্মার্ট এবং সেটাকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবার মতো বোকা হতে হবে।—ইউজেন ম্যাকার্থি, আমেরিকান রাজনীতিবিদ।

নারীরা ফুটবল খেলেন না। এর কারণ, ১১ জন নারী একই রকম পোশাক পরতে কখনোই রাজি হবেন না।—ফিলিস ডাইলার, আমেরিকান অভিনেত্রী।

ফুটবল ম্যাচের সময় মাঠে প্রতিপক্ষ দলের উপস্থিতির কারণেই সবকিছু জটিল হয়ে পড়ে।—জা পল সার্ত্রে, ফরাসি দার্শনিক ও সাহিত্যিক।

ফুটবল আমেরিকানদের জীবনে সবচেয়ে বাজে দুটো জিনিসের সমন্বয় ঘটিয়েছে। এক. সহিংসতা আর দুই. এরপর গঠিত কমিটির মিটিং।—জর্জ উইল, আমেরিকান সাংবাদিক।

আমার ফুটবল ক্যারিয়ারে আমি অনেক কিছু মিস করতাম। যেমন, মিস কানাডা, মিস আমেরিকা, মিস ওয়ার্ল্ড। —জর্জ বেস্ট, সাবেক আইরিশ ফুটবলার।

Sonju
Rajshahi, Bangladesh.



সিডনি থেকে ৬০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত আরমিডেইল শহরে একসময় কিছু অভিনব আইন মেনে চলা হতো (হয়তো এখনো হয়)। মদ্যপানের পর কারও ব্যাপক টলমল দশা হলে তাকে বারম্যান হলুদ কার্ড দেখাত এবং বিয়ারের চেয়ে বেশি অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় তাকে সার্ভ করা হতো না। আর পানোত্তর প্রতিক্রিয়া কাউকে নিয়ন্ত্রণহীন করে ফেললে তাকে দেখানো হতো লাল কার্ড এবং বের করে দেওয়া হতো বার থেকে।

আহত খেলোয়াড়ের সেবা-শুশ্রূষা করতে ব্যস্ত সহখেলোয়াড়েরা, ঠিক সেই সময় বিপক্ষ দলের স্ট্রাইকার গোল করে বসল। স্পেনের গিখুয়েলো শহরের দুই শৌখিন ফুটবল দলের খেলার ঘটনা সেটি। তো গোলদাতা দলের কোচ বেনজামিন বেনিতো প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের খেলোয়াড়দের আদেশ দিলেন আত্মঘাতী গোল করতে। খেলোয়াড়েরা কান দিল না তাঁর কথায়। খেলা শেষে ১-২ গোলে পরাজিত দলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন বিজয়ী দলের কোচ বেনজামিন বেনিতো।

কয়েক বছর আগে উইলিয়াম হিলের বুকমেকার কোম্পানিতে এক ইংরেজ ভদ্রলোক কুড়ি পাউন্ড বাজি ধরেছেন। বাজির বিষয়টি এ রকম: ভদ্রলোকটির সবে-হাঁটতে-শেখা পুত্রসন্তান ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রতিপক্ষকে গোল দেবে। বাজিতে জিতলে তাঁর পুত্র পাবে এক মিলিয়ন পাউন্ড।

ইতালির অধিবাসী রোমেলো বোসি তাঁর ১০০তম জন্মদিনে ইন্টার ক্লাবের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে উপহার পেলেন সোনার টাই-ক্লিপ এবং স্টেডিয়ামে ঢোকার আমরণ পাস। ৯০ বছর ধরে তিনি ইন্টারের সক্রিয় সমর্থক।
‘ফুটবল রোগ’ তাঁর স্বাস্থ্যে নিশ্চয়ই সুপ্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে। সাবেক ব্যাংক কর্মচারী, চিত্রকর ও কবি ১০০ বছর বয়সী বোসি বাস করেন একা এবং নিজেকে পুরোপুরি সুখী মনে করেন।

ওয়েইন রুনি তখন এভারটনের খেলোয়াড়। এক চোর তাঁর বাসায় ঢুকে চুরি করল তাঁর টয়লেটের কমোড! খবরটা পেয়েই রুনির ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসপত্রের সরবরাহকারী কোম্পানি Trax ঘোষণা দিয়ে বসল, তারা তস্করের কাছ থেকে কমোডটি কিনে নিতে চায়। কোম্পানির মুখপাত্র একই সঙ্গে আশাবাদ ও হতাশা প্রকাশ করে বললেন, ‘কমোডটা কিনতে পারলে পরে ভালো দাম হাঁকানো যেতে পারত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, রুনি ঠিক ওই কমোডেই বসতেন, সেটি প্রমাণ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে।’ তা তো বটেই, হস্তাঙ্গুলির ছাপের ব্যাপার হলে তা প্রমাণ করতে বেগ পেতে হতো না। কিন্তু এটি যে কমোড!

রিয়াল মাদ্রিদ আর আতলেতিকো মাদ্রিদের মধ্যে যখন খেলা চলে, মাদ্রিদ শহরটি তখন প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। পথঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে। পড়বেই বা না কেন, কখনো কখনো শতকরা ৭০-৭৫ শতাংশ মাদ্রিদবাসী খেলা দেখতে বসে যায় টিভির সামনে! টেলিফোন কলের সংখ্যা কমে আসে ৮০-৮৫ শতাংশ, অ্যাম্বুলেন্স, দমকল ও অন্যান্য জরুরি সার্ভিসের টেলিফোনগুলোও প্রায় নিশ্চুপ হয়ে পড়ে, পানির ব্যবহার কমে যায় ৬০-৭৫ শতাংশ, কমে আসে বার-রেস্টুরেন্টে লোকের সংখ্যা। রমরমা ব্যবসা করে শুধু হোম-ডেলিভারি পিৎজা-ব্যবসায়ীরা। খেলা দেখার সময় মাদ্রিদবাসীর প্রিয় খাদ্য পিৎজা।

১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ড যুবদলের স্পন্সর হয়েছিল শব-সৎকার সংস্থাগুলোর ইউনিয়ন। ইউনিয়নের মুখপাত্র বলেছিলেন, তাঁরা ইংরেজ ফুটবলের ভবিষ্যৎকে নবজীবনদানে বদ্ধপরিকর।

স্পেনের চতুর্থ বিভাগ ফুটবলের একটি ম্যাচ অমীমাংসিতভাবে শেষ
হওয়ার পর ভয়ে মুষড়ে
পড়া রেফারিকে সান্ত্বনা
দিতে লাগল উভয় দলের খেলোয়াড়েরা। ব্যাপার কী? না, রেফারি সেই খেলায়
দুই-দুইখানা গোল
করেছেন! ইচ্ছাকৃত নয় অবশ্য। প্রথম গোলটি হয়
বল রেফারির পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বারে ঢুকে পড়লে। আর পরের গোলটি হয় তার মাথায় বল লেগে। তাঁর সৌভাগ্য,
গোল দুটি হয় দুই দলের বারে।

Soad
Japan



অনুশীলন করতে গিয়ে পায়ে আঘাত পেলেন ইংল্যান্ডের ফুটবলার ওয়েইন রুনি। ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পর তাঁর বাবা জিজ্ঞেস করেন: কিরে, ডাক্তার কী বলল?
রুনি: খেলতে নিষেধ করল।
রুনির বাবা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন: ও, উনিও তাহলে তোর খেলা দেখেছেন…।

দারুণ গুরুত্বপূর্ণ একটা ম্যাচে ৬-০ গোলে হারার পর দলের অধিনায়ক কোচকে হালকা বাতাস দিচ্ছিল: বস, জানেনই তো, ফুটবল একটা দারুণ অনিশ্চয়তার খেলা…।
কোচ: হুম্ম, তা তো জানি। তবে তোমাদের আজকের ম্যাচ দেখার পর মনে হচ্ছে ফুটবল বেশ হাস্যকর খেলাও বটে…।

চার-চারটা গোল খাওয়ার পর ম্যাচ শেষে গোলকিপার ম্যানেজারকে বললেন: জরুরি একটা কাজ আছে, আমাকে এক্ষুনি যেতে হবে এয়ারপোর্টে, প্লেন ধরতে…।
ম্যানেজার টিটকারি করেন: আশা করি প্লেনটাকেও করবে না, ওটা তো ফুটবলের চেয়ে অন্তত কয়েক হাজার গুণ বড়…।

স্ত্রী খেপে গিয়ে তাঁর চরম ফুটবল-ভক্ত স্বামীকে বললেন, ফুটবল… ফুটবল…ফুটবল—সারা দিন খালি ফুটবল নিয়েই মেতে আছ। কোনো দিন যদি দেখি ফুটবল ম্যাচ বাদ দিয়ে ঘরের একটা কোনো কাজে হাত লাগিয়েছ, আমি তো মনে হয় হার্টফেল করে মরেই যাব।
স্বামী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, আমাকে আর স্বপ্ন দেখিয়ো না প্লিজ।

প্রথম বন্ধু: আমার বউ বলেছে, আমি যদি ফুটবল খেলা দেখা না ছাড়ি তাহলে আমাকে তালাক দেবে।
দ্বিতীয় বন্ধু: ইস্…কী দুঃখের কথা!
প্রথম বন্ধু: হ্যাঁ, ওকে ভীষণ মিস করব রে…!

জীবনের প্রথম ফুটবল ম্যাচ দেখে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে: বাবা, আমাদের দলটা কি কোনো দিন গোল দিতে পেরেছে?
বাবা: কী করে বলি বল। আমি তো মোটে ১২ বছর ধরে খেলা দেখছি।

প্রেমিকা: ফুটবল ছাড়া তোমার মাথায় কি আর অন্য কিছুই নেই?
প্রেমিক: কে বলল অন্য কিছু নেই? তুমি আছ না! হে হে হে…।
প্রেমিকা: তাই! আচ্ছা বলো তো, আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল কবে?
প্রেমিক: ওই যে রিয়াল মাদ্রিদ যেদিন কাপ জিতে নিল, সেদিন!



তোমাদের দলটা যাচ্ছেতাই। আমাদের একজন কম ছিল, তার পরেও তোমরা ৯ গোলে হারলে।
: একজন কম, মানে? তোমাদের দলে ছিল ১১ জন খেলোয়াড় এবং স্বয়ং রেফারি। তাই নয় কি ?



ডেভিড বেকহাম একবার একটি স্কুলে বেড়াতে গেছেন। ক্লাসে ঢুকেই তিনি ছাত্রদের উদ্দেশে বললেন, ‘কেউ কি আমাকে একটা ট্র্যাজেডির উদাহরণ দিতে পারবে?’
ছোট্ট একটা ছেলে উঠে বলল, ‘আমার এক বন্ধু রাস্তায় খেলছিল, হুট করে একটি গাড়ি এসে তাকে চাপা দিয়ে গেছে, এটা একটা ট্র্যাজেডি হতে পারে।’
তা শুনে ডেভিড বেকহাম বললেন, ‘না, এটা তো ট্র্যাজেডি নয়। এটা একটা দুর্ঘটনা।’
এবার একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে বলল, ‘যদি একটি স্কুলবাসে ৫০ জন ছাত্রছাত্রী থাকে এবং ওই বাসটি যদি খাদে পড়ে গিয়ে সবাই মারা যায়, তখন এটা ট্র্যাজেডি হতে পারে।’
‘না, এবারও হয়নি। এটা তো একটা বিশাল ক্ষতি। কী ব্যাপার, তোমরা তো কেউ ট্র্যাজেডি কী, সেটাই জানো না!’ ডেভিড বেকহামের বিস্ময়।
এবার একদম পেছনের বেঞ্চ থেকে একটি ছেলে বলল, ‘ডেভিড বেকহাম যদি একটি বিমানে করে কোথাও যায় এবং ওই বিমানটিতে যদি বোমা বিস্ফোরিত হয়, তাহলে এটা ট্র্যাজেডি হবে।’
ডেভিড বেকহাম এবার হাসিমুখে বললেন, ‘অসাধারণ! অসাধারণ! আচ্ছা, বলো তো, এটা কেন ট্র্যাজেডি হবে?’
ছেলেটি মুখ কাঁচুমাচু করে জবাব দিল, ‘কারণ, এটা কোনো দুর্ঘটনাও নয়, আবার কোনো বিশাল ক্ষতিও নয়, তাই…!’



গলফ খেলতে গেছে টিনা।

সাঁই করে ব্যাট চালালো সে। তারপর দেখতে পেলো, তার টার্গেটের কিছুটা দূরে এক লোক হঠাৎ কোমরের নিচটা চেপে ধরে শুয়ে পড়লো।

নিশ্চয়ই আমার বলটা ওর ওখানটায় গিয়ে লেগেছে! আঁতকে উঠলো সে। তারপর ছুটে গেলো সেখানে।

দেখা গেলো, লোকটা কোঁকাচ্ছে সমানে, কোমরের নিচটায় হাত চেপে রেখেছে সে।

টিনা বললো, ভয় পাবেন না, আমি জানি কী করতে হবে। খুব ব্যথা করছে?

লোকটা কোনমতে বললো, হ্যাঁ।

টিনা তখন এগিয়ে গিয়ে, বেচারার প্যান্ট খুলে, মিনিট দশেক ম্যাসেজ করে দিলো। তারপর বললো, এখন কেমন বোধ করছেন?

লোকটা বললো, দারুণ, কিন্তু বুড়ো আঙুলটায় এসে বল লেগেছে তো, সাংঘাতিক ব্যথা করছে।



আমার এত ধৈর্য কোথায়

দু জন দাবা খেলছিল। পাশে দাঁড়িয়ে আরেক ভদ্রলোক পাক্কা দু ঘন্টা ধরে তাদের দাবার চাল বলে দিচ্ছিলেন আর তাদের ভুলের সমালোচনা করছিলেন।
শেষমেশ অতিষ্ঠ হয়ে একজন খেলোয়ার বলল, তা হলে আপনিই খেলুন না।
ভদ্রলোক প্রায় আঁতকে উঠে বললেন, না, না আমার এত ধৈর্য কোথায়!



আম্পায়ারগুলো সব আমাদের

একবার স্বর্গের দেবতারা আর নরকের শয়তানেরা মিলে ক্রিকেট খেলবে বলে ঠিক করল। স্বর্গের দেবতারা খেলায় জিত নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী, কারণ সব ভালো ভালো ক্রিকেটাররা স্বর্গে তাদের সঙ্গেই আছেন। কিন্তু শয়তানদের এই নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত দেখা গেল না। তাদের নিশ্চিন্ত ভাবভঙ্গি দেখে এক দেবতা এক শয়তানকে ডেকে বলল, কী ব্যাপার, ভালো ভালো ব্যাটসম্যান তো সব আমাদের এখানে, কিন্তু তোমাদেরকে বিশেষ চিন্তিত মনে হচ্ছে না! শয়তান সঙ্গে সঙ্গে দাঁত বের করে শয়তানি হাসি দিয়ে বলল, তোমাদের যতই ব্যাটসম্যান থাকুক, আম্পায়ারগুলো তো সব আমাদের এখানে!



 

  Advertisement