Jokes Category
 
Jokes: বিদেশী জোকস
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছবিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুৎসাহিত করতেন। তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন। গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাঁকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তাঁর দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তাঁর একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে।


পাবলো পিকাসো তখন দারুণ জনপ্রিয় চিত্রশিল্পী। একদিন চার্লি চ্যাপলিন গেলেন পিকাসোর সঙ্গে দেখা করতে। বললেন, ‘আপনি কি করে ছবি আঁকেন, দেখতে এলাম।’
পিকাসো সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়ে চার্লি চ্যাপলিনকে নিয়ে গেলেন তাঁর স্টুডিওর মধ্যে। সেখানে তিনি একটা ছবি আঁকতে ব্যস্ত ছিলেন। চ্যাপলিন দাঁড়িয়ে আছেন আর পিকাসো নিমগ্ন হয়ে ছবি আঁকছেন। হঠাৎ তুলি থেকে খানিকটা রং ছিটকে গিয়ে পড়ল চার্লি চ্যাপলিনের সাদা জামায়। পিকাসো আঁতকে উঠে বললেন, ‘ওহ্, আমি খুবই দুঃখিত চার্লি! দাঁড়াও, আমি এক্ষুনি স্পিরিট নিয়ে এসে রংটা মুছে দিচ্ছি।’
চ্যাপলিন একবার তাঁর জামাটার দিকে তাকান, তারপর হাসতে হাসতে বলেন, ‘কোনো দরকার নেই, তার চেয়ে আপনি বরং আমার প্যান্টের ওপর একটা সই দিয়ে দিন।’



দক্ষিণ আফ্রিকার বসভেল্টের এক কৃষক স্টোফেল। এক সকালে স্টোফেল তাঁর বউ কিটি আর ছেলে ফ্রিকিকে নিয়ে গেলেন রাজধানী জোহানেসবার্গে। এটাই তাঁদের প্রথম রাজধানীতে যাত্রা। গিয়েই তাঁরা পঁচিশ তলার এক মার্কেটে ঢুকেছেন। সব দেখে তো তাঁদের চোখ ছানাবড়া। কৃষকের বউ কিটি গেলেন এটা-সেটা কিনতে। সেই ফাঁকে বাপ-বেটা মিলে মার্কেটটা ঘুরে দেখতে লাগলেন। হঠাৎ একটা লিফটের সামনে পড়তেই ব্যাপক চমৎকৃত তাঁরা, ফ্রিকি তো চেঁচিয়েই উঠল প্রায়, ‘আরে বাবা, এটা কী জিনিস! কেমন দেয়াল ফেটে দরজা খুলে যায়, আবার দেখি ওপরেও উঠতে পারে!’ স্টোফেল নিজেও বাপের জন্মে এমন জিনিস দেখেননি, তাই তাঁরও একই প্রশ্ন, ‘জিনিসটা কী!’ ঠিক সেই সময় কালোমতো এক নারী লিফটের ভেতরে ঢুকে গেলেন, ভেতরে সুইচ টিপে ওপরেও উঠে গেলেন। খানিক বাদে নেমে এল লিফটটা। দরজাটা খুলে যেতেই বাপ-বেটার চোখ রীতিমতো কমলালেবু। অল্প বয়সী এক সুন্দরী নারী বেরিয়ে আসছেন সেখান থেকে। দেখে তো স্টোফেল তো লাফিয়ে উঠলেন সঙ্গে সঙ্গে, ফ্রিকিকে বলল, ‘ওরে ফ্রিকি, এ তো দুর্দান্ত জিনিস! শিগগির যা, তোর মাকে নিয়ে আয়, ওই যন্ত্রের ভেতরে ঢুকিয়ে দিই!’

Zubair Bin Tareque
Hatem Khan, Rajshahi
Bangladesh



এক রাশান, এক ফ্রেঞ্চ আর এক বৃটিশ তর্ক জুড়ে দিয়েছে, আদী পিতা আদম কোন জাতীয়তার ছিলেন সেই বিষয়ে।
ফ্রেঞ্চ বলছে: আদম ফরাসী না হয়েই যায় না। দেখ না, ইভকে সে কত্তো ভালবাসতো।
বৃটিশ বলছে: উহু। আদম আসলে ছিল বৃটিশ। দেখ, তার একটি মাত্রই আপেল ছিল আর সেটি সে ইভ কে দিয়ে দিল! যেন সাচ্চা বৃটিশ জেন্টলম্যান।
রাশান বলছে: তোমরা কিস্যু জানো না। যে লোকটি পুরো উদোম হয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে, সম্বল মাত্র একখানি আপেল। আর তারপরও ভাবছে সে স্বর্গে আছে, সে রাশান না হয়ে যায় কোথায়...



কিছু অসাধারন রাশিয়ান প্রশ্নোত্তর।

১।সমাজতন্ত্র কি?
-পুঁজিবাদে পৌছুবার দীর্ঘতম পথ

২।হিটলার আত্নহত্যা করেছেন কেন?
-গ্যাসের বিল দেখে।

৩।সোভিয়েত স্ট্রিপটীজ কি?
-নর্তকী নাচের এক পর্যায়ে সব কাপড় খুলে ফেলার পরেই সেগুলোর ওপরে বসে পড়ে,যাতে কেউ সেসব চুরি করে না নেয়।

৪।সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচে স্থায়ী কি?
-সাময়িক সংকট।

৫।মোরগ যখন মুরগী কে তাড়া করে,মুরগী তখন কি ভাবে?
-খুব বেশি জোরে দৌড়চ্ছি না তো?

৬।মুরগীর স্তন নেই কেন?
-মোরগের হাত নেই বলে।

৭।কমিউনিস্ট আখ্যা দেয়া যায় কাকে?
-যে মার্কসবাদ-লেলিনবাদের ক্ল্যাসিকগুলো পড়ে।

আর এ্যান্টি-কমিউনিস্ট কে?
-লেখাগুলো পড়ে যে বুঝতে পারে।

৮।বেতন কি?
-মেয়েদের ঋতুস্রাবের মত।অপেক্ষা করতে হয় সারাটি মাস,তারপর তিনদিনেই শেষ!

৯।১৯৬৪ সাল কেমন হবে?
-মাঝারি রকমের।১৯৬৩'র চে খারাপ,তবে ১৯৬৫'র চে ভাল।

১০।পুঁটি মাছ কি?
-কমিউনিজম পর্যন্ত সাঁতরে আসা তিমি মাছ।

১১।সোভিয়েত সূর্য দুপুর বেলায় অতো হাশিখুশী থাকে কেন?
-কারণ সে জানে,একটু পরেই পৌছে যাবে পশ্চিমে।

১২।কোথায় মেয়েদের সবচে কোঁকড়ানো চুল?(এটা নিয়ে ভাবতে থাকেন.......এইটার উত্তর একদম শেষে দিব।আগেই কেউ দেখবেন না কিন্তু!)

১৩।হাড়কিপ্টেমি কি?
-লেপের তলায় বায়ূ দূষিত করে লেপ দিয়ে মাথা ঢেকে ফেলা।

১৪।কমিউনিজমের সময় কি চুরি বিদ্যা থাকবে?
-না।কারণ,সমাজতন্ত্রের পর্যায় শেষ হতে হতে চুরি করার আর কিছু থাকবেনা।

১৫।পাউন্ড,ডলার এবং রুবলের পারস্পারিক বিনিময় হার কত?
-এক পাউন্ড রুবলের মূল্য এক ডলার!










এখন আসুন ১২ নং প্রশ্নের উত্তরে!মেয়েদের চুল কোথায় সবচে বেশি কোঁকড়া?আফ্রিকায়!ওখানকার মেয়েদের চুল সবচে কোঁকড়ানো না?আপনি কি ভেবেছিলেন!!!!!



স্বামী বাসায় না থাকলে জোয়ানা তার বয়ফ্রেন্ড হ্যারিকে প্রায়ই বাসায় নিয়ে আসে। ;) তো একদিন জোয়ানার বাসায় জোয়ানা ও হ্যারি মধুর সময় কাটাচ্ছিল। :) এমন সময় স্বামী এসে উপস্থিত। :( জোয়ানা তাড়াতাড়ি হ্যারিকে চিলেকোঠর ঘরে লুকিয়ে ফেলল। খানিক পর সেখানে এল জোয়ানার ১০ বছরের ছেলে বব।

বব: এখানে খুব অন্ধকার, তাই না?
হ্যারি: হ্যাঁ।
বব: তুমি কি আমার বেস বলের গ্লাভস দুটো কিনবে?
হ্যারি: দুঃখিত। আমার প্রয়োজন নেই।
বব: বাসায় আজ কিন্তু ড্যাডি আ্যছে।
হ্যারি: কত দাম গ্লাভস দুটোর?
বব: ২৫০ ডলার।

কিছুদিন পরের ঘটনা। আবারো জোয়ানা ও হ্যারির ডেটিং। আবারো স্বামীর আগমন। আবারো চিলেকোঠা। এবারো বব হাজির।

বব: এখানে খুব অন্ধকার, তাই না?
হ্যারি: হ্যাঁ।
বব: তুমি কি আমার বেস বলটা কিনবে?
হ্যারি: দুঃখিত। আমার প্রয়োজন নেই।
বব: বাসায় আজও কিন্তু ড্যাডি আছে।
হ্যারি: কত দাম তোমার বেস বলের ?
বব: ৭৫০ ডলার।

কিছুদিন পর।

ববের বাবা: বব, তোমার বেসবল আর গ্লাভস কোথায়?
বব: ড্যাড, আমি তো ওগুলো বিক্রি করে দিয়েছি।
বাবা: কার কাছে?
বব: আমার এক বন্ধুর কাছে।
বাবা: কত টাকায়?
বব: ১০০০ ডলারে।
বাবা: মাই সান তুমি তো অনেক বেশি টাকায় ওগুলো বিক্রি করেছ। এটা অন্যায় হয়েছে। সামনের রোববার চার্চে গিয়ে তোমাকে কনফেস করতে হবে।

রবিবার। ববকে নিয়ে বাবা চার্চে উপস্থিত। এক অন্ধকার ঘরে বব ঢুকল একা। সামনে ফাদার।

বব: এখানে খুব অন্ধকার, তাই না?
ফাদার: তুমি আবার শুরু করেছ?



গাদ্দাফী কয়েক দিন আগে এসেছিলো জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ভাষণ দিতে, অবশ্য গাদ্দাফী রাশভারী মানুষ, তিনি কোনো হোটেলে অবস্থান করেন না, যদিও তার দেশে নিজস্ব প্যালেস আছে কিন্তু অন্য যেকোনো দেশে তিনি তাঁবু টাঙ্গিয়ে বসবাস করেন।

নিউজার্সির যে শহরে গাদ্দাফীর তাঁবু ফেলানোর কথা, সে শহরের মানুষেরা অবশ্য গাদ্দাফীকে তাদের শহরে তাঁবু গাড়তে দেন নি, গাদ্দাফী কাছাকাছি কোনো একটি জংলামতো জায়গায় তাঁবু গেড়ে রাতে ঘুমাতে গিয়েছেন। মাঝরাতে তার ঘুম ভাঙলো, তার সঙ্গে থাকা অনুবাদক তাকে টোকা দিয়ে বললো কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন স্যার?
হুমম, আকাশ দেখছি, আকাশে অনেক অনেক তারা। কি চমৎকার দৃশ্য, এমন তারা ভরা আকাশ আমাকে লিবিয়ার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, আমি আবেগাপ্লুত হয়ে উঠছি।

অন্য কিছু স্যার?

তুমি কি বলতে চাইছো, যদি বলো বিজ্ঞানের ভাষায় বলতে পারি, মহাশূণ্যে অসংখ্য গ্রহ তারা নক্ষত্র, গ্যালাক্সি সেখান থেকে আলো পৌঁছাচ্ছে পৃথিবীতে আমি সেসব নক্ষত্রের আলো দেখছি।

যদি জ্যোতিষবিজ্ঞানের ভাষায় বলো, তাহলে মাথার উপরে ডান দিকে যে নক্ষত্রদল দেখছো সেটা সিংহা রাশির চিহ্ন, এ সময়ে জন্ম নেওয়া সবাই সিংহ রাশির বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে জন্মায়,

যদি আধ্যাত্মবাদীদের কথা বলো, তাহলে ঐ যে দুরে দেখছো একটা তারা জ্বলজ্বল করছে ওটা আসলে তারা নয় ওটা শনি গ্রহ, ওখানে শয়তানের বসবাস.......।

আর কিছু মনে পড়ছে না স্যার?

আর কি মনে পড়বো বলো?

এখনও বুঝেন নি স্যার? আমাদের তাঁবুটা চুরি হয়েছে।



একশহরে দুই জমজ ভাই ছিল। বব আর জন। বব বিয়ে করেছিল লিসা নামের একটা মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে লিসা নামে জনের একটা ফিসিং বোটও ছিল। আরো কাকতালীয়ভাবে ববের বউ লিসা যেদিন মারা যায় ঠিক সেইদিন জনের নৌকাও ডুবে যায়।

কয়েকদিন পর, শহরের এক বৃদ্ধা মহিলা জনের সাথে দেখা হলো। জন তার নৌকা লিসাকে হারিয়ে খুব একটা দুঃখ পায় নাই। এদিকে মহিলা ভেবেছে এইটা বব। ববের বউ মরায় সে নিশ্চয় কষ্টে আছে।
মহিলা বলল “আহা! কিরে পোলা, লিসার জন্য কষ্ট হয় রে?”
জন বলল, তেমন একটা হয় না।
কি বলিস ছোকরা!
আরে বলবেন না, যেদিন থেকে লিসা আমার হলো- সেদিনই আমি টের পেলাম আসলে লিসা বেশ খারাপ মাল। তার নিচটা বেশ ময়লা- পচা মাছের গন্ধ পেতাম। যেদিন আমি প্রথম তার ওপর উঠলাম- সে ছ্যাড়ছ্যাড় করে পানি ছেড়ে দিল। আমার মনের অবস্থাটা বুঝেন! তার পিছন দিকে তাকালে পরিষ্কারভাবেই একটা খাজ দেখা যেত। আর সামনের দিকের ছিদ্রটা যত দিন যেতে লাগল ততই বড় হতে লাগছিল। তবু তাকে দিয়ে আমার কাজ চলে যাচ্ছিল। কিন্তু শহরের চার যুবক এসে তার জীবন শেষ করে দিল। এই চাইর বদমাশ আসছিল একটু ভালো সময় কাটানোর জন্য। শহরে ভালো কিছু না পেয়ে এরা লিসাকেই পছন্দ করে ফেলল।আমি ত লিসাকে ভাড়া দিতে রাজি না। হাজার হোক লিসা আমার। কিন্তু হারামজাদাগুলা লিসার জন্য আমাকে টাকা সাধতে শুরু করল। আমি জানি লিসার ক্ষমতা নাই একসাথে চারজনকে নেয়ার- কিন্তু ওরা টাকা দিয়ে আমাকে রাজি করিয়ে ফেলল।


একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে জন বলল, ওরা চারজন একসাথে লিসার ওপর চড়ে বসতেই লিসা শেষ বারের মত পানি ছেড়ে দিয়ে ...... শেষ হয়ে গেলো।
জনের কথা শেষ হতেই বুড়ি মাথা ঘুরে পড়ে গেলো।



ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি-তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই। চোর-বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য? একজন কাচুমাচুভাবে বলল " আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে। " সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে কামে লাগায়...ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম-শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।
এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো, শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল। উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল
খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?
না হুজুর। আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দুরের একটা শহরে যাই।



মহারানী ক্লিওপেট্রার করোটি

মিসরের একটি পুরোন জিনিসের দোকানে এক পর্যটক ঢুকলেন। দোকানদার এগিয়ে এসে তাঁকে নানান জিনিস দেখাতে লাগল। সামনের একটি শো-কেসে একটি নর করোটি দেখতে পেয়ে পর্যটক জিঞ্জেস করলেন ,এই করোটি কার?এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার,সবিনয়ে জানালো দোকানদার । কিছুক্ষন বাদে ঘুরতে-ঘুরতে আর একটি খুলি চোখে পড়ল পর্যটকের। আগেরটির চেযে এই করোটি আকারে সামান্য ছোট। পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , এই করোটি কার?দোকান দার বলল এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার হুজুর তবে এটা তাঁর ছোটবেলার করোটি।



এক সৈন্য ছুটতে ছুটতে এসে হাজির এক নানের কাছে।

“সিস্টার, আমাকে খুঁজছে এক দুষ্ট পুলিশ। আমাকে বাঁচান!” বললো সে।

“ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন, বাছা! তা আমি কিভাবে তোমাকে সাহায্য করতে পারি?” খোনা গলায় বললেন নান।

“আমি কি আপনার এই ঢোলা আলখাল্লার নিচে লুকাতে পারি?” জানতে চাইলো সৈন্য।

“নিশ্চয়ই।” সায় দিলেন নান। সৈন্য হামাগুড়ি দিয়ে তাঁর আলখাল্লার নিচে ঢুকে পড়লো।

খানিকক্ষণ বাদেই এক পুলিশ ছুটতে ছুটতে এসে হাজির।

“সিস্টার, এদিক দিয়ে কোন সৈন্যকে যেতে দেখেছেন?”

“হ্যাঁ বাছা। সে তো ওদিকে চলে গেলো ছুটতে ছুটতে।”

পুলিশ ধন্যবাদ জানিয়ে নানের দেখানো দিকে ছুটতে ছুটতে চলে গেলো।

আলখাল্লার নিচ থেকে বেরিয়ে সৈন্য বললো, “সিস্টার, আপনি আমাকে বাঁচালেন। আমি যুদ্ধে যেতে চাই না, কিন্তু ব্যাটারা আমাকে জোর করে পাঠাবেই!”

নান বললেন, “ঠিক আছে বাছা, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।”

সৈন্য বললো, “ইয়ে, সিস্টার, একটা কথা আপনাকে বলা দরকার। আলখাল্লার নিচে বসে দেখলাম কি না। দারুণ একজোড়া ঊরু আপনার!”

নান বললেন, “বাছা, আরেকটু ওপরে খেয়াল করলে দারুণ একজোড়া অন্ডকোষও দেখতে পেতে। আমিও যুদ্ধে যেতে চাই না …।”



ভন্ডুল এক মেয়ের সাথে পরিচিত হইছে। অনেকদিন ফস্টিনস্টি করছে। এরপর একদিন রাতে তারা you know what করছে।
কাজ শেষে ভন্ডুল তৃপ্তির জন্য সিগারেট বের করছে পকেট থেকে। অন্ধকারে লাইটার খুজে পায় না। সো মেয়েটারে জিজ্ঞেস করে ম্যাচ আছে?
- উপরের ড্রয়ারে দেখ।
ভন্ডুল উপরের ড্রয়ার খুলছে। এক বাকস ম্যাচ। ম্যাচ বাক্সের পাশেই একটা যুবকের ছবি। ভন্ডুল ভয় খাইছে। নোকিয়া করতাছি নাকি?
মেয়েটারে জিজ্ঞেস করে, তোমার জামাইয়ের ছবি?
-নাহ।
ভন্ডুলের নিঃশ্বাস বের হয়। ভন্ডুল একটু হাসে। মেয়েটা উঠে এসে ভন্ডুলের কোমড় জড়িয়ে ধরে। ভন্ডুল সিগারেট ফুকতে ফুকতে বলে
তোমার বয় ফ্রেন্ডের ছবি?
মেয়েটা হাসে। ভন্ডুলের কানের লতিতে ছোট্ট একটা কামড় দিয়ে বলে, আরে এটা আমি! অপারেশনের আগে।



জন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। এক পিচ্চি তাকে প্রশ্ন করল - কয়টা বাজে?
পৌনে তিনটা
তিনটা বাজলে আমার পাছায় একটা চুমো দিও।
এই কথা বলেই পিচ্চি দিয়েছে দৌড়। জন রেগে গিয়ে তার পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে।

পথে ববের সাথে ধাক্কা খেল।
বব- কিরে দোস্ত, দৌড়াস কেন?
- আরে হালার পিচ্চি কয় তিনটা বাজলে ওর পাছায় চুমু খেতে...
- এই জন্য দৌড়াচ্ছিস!! এত তাড়াহুড়া কিসের শুনি ???? তিনটা বাজতে এখনো দশ মিনিট বাকি।



একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের খুব ইচ্ছে হল রাজধানীর রাস্তায় একাকী ঘুরে বেড়াবেন। তাই পরদিন খুব ভোরে নিরাপত্তারক্ষীর পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লেন তিনি। সারাদিন রাজধানীর রাস্তায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে রাস্তায় বসে পড়লেন প্রেসিডেন্ট। ভাবলেন এবার ফেরা দরকার। কিন্তু এতদূর থেকে হেঁটে বাসভবনে ফেরা সম্ভব না। তাই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর একটি ট্যাক্সি এসে তার সামনে দাঁড়াল। প্রেসিডেন্ট দরজা খুলে আসনে বসতেই ট্যাক্সি চলতে শুরু করল। কিন্তু প্রেসিডেন্টের আজ ইচ্ছে পূরণের দিন। তাই তার খুব ইচ্ছে হল গাড়ি চালানোর। এদিকে যতই ছদ্মবেশে থাকুন না কেন, ট্যাক্সিচালক প্রেসিডেন্টকে চিনে ফেললেন। তাই প্রেসিডেন্ট যখন গাড়ি চালানোর কথা জানালেন, চালক কথা না বাড়িয়ে হুইল ছেড়ে দিয়ে পেছনের আসনে গিয়ে বসলেন। চালকের আসনে বসে প্রেসিডেন্ট তার বাসভবনের দিকে গাড়ি চালাতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে গাড়ির গতি বাড়তে লাগল। প্রেসিডেন্ট ভবনের কাছাকাছি আসার পর প্রেসিডেন্ট তার ছদ্মবেশ খুলে ফেললেন। আরও কিছুদূর যাওয়ার পর এক ট্রাফিক সার্জেন্ট অবাক বিস্ময়ে ঘটনাটি দেখলেন এবং সদর দফতরে ফোন করলেন।
হ্যালো, হেডকোয়ার্টারঃ
হ্যালোঃগতিসীমা অতিক্রম করে একটি ট্যাক্সি প্রেসিডেন্ট ভবনের দিকে যাচ্ছে।
“তাই নাকি? তাহলে গাড়িটাকে থামাচ্ছ না কেন?”
“না স্যার, ভেতরে যে ছিল সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
খুবই গুরুত্বপূর্ণ! কে সে? মেয়র নাকি?”
“না, মেয়রের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।”
“তাহলে কে তিনি? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী!!”
“না না তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ কেউ। একেবারে টপ লেভেল ভিভিআইপি।”
“তাহলে কি তিনি মি. প্রেসিডেন্ট।”
“তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি!”
এবার অপর প্রান্তে বেশ কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতার পর প্রশ্ন এল “তুমি কি আমার সঙ্গে ফাজলামো করছ? প্রেসিডেন্টের চাইতে গুর“ত্বপূর্ণ আবার কে?”
ট্রাফিক সার্জেন্ট বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিল, “না আমি ফাজলামো করছি না। আর আমি তার পরিচয়টাও জানি না। তবে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, তিনি প্রেসিডেন্টের চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্ট নিজেই গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।



দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথোন :
-- শ্রম শিবির নাকি দারুন জায়গা ? লোকজন নাকি খুব ভালো থাকে সেখানে ?
-- মনে হয় তা-ই ।কারন আমার এক পরিচিত ব্যক্তি এ ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ।তাই তাকে স্বচক্ষে সেখানকার ব্যাপার স্যাপার দেখানোর জন্য কেজিবি নিয়ে গিয়েছিল। সেই যে গেছে, আজও সে ফেরেনি ।মনে হয় খুব পছন্দ হয়েছে শ্রম শিবির ।



কেজিবির এক কর্মীর সঙ্গে দেখা তার প্রতিবেশীর ।
-- শুভ সন্ধ্যা, বলল প্রতিবেশী
-- সন্ধ্যা মানে ? এই ভর দুপুরে বলছেন শুভ সন্ধ্যা !
-- খুবই দুঃখিত ।কিন্তু কি করব বলুন ? আপনাকে দেখলেই আমার চারপাশে সব কেমন অন্ধকার হয়ে যায় ।



মস্কো শহরে ট্রামের জন্য অপেক্ষমান দুই ব্যক্তির মধ্যে হাল্কা কথাবার্তা চলছে ।এক জন বলল,
-- পাউডার ও সরকারের মধ্যে তফাত কি বলতে পারেন?
-- না
-- পাউডার মুখে মাখে, আর সরকারকে কেউ কোথাও ঠেকাতে চায় না ।
ট্রাম এসে পড়ল ।এবার প্রশ্ন করল দ্বিতীয় ব্যক্তি,
-- ট্রাম এবং আপনার মধ্যে পার্থক্য কি বলতে পারেন ?
-- না
-- ট্রাম এখন চলে যাবে নিজের পথে, আর আপনি যাবেন আমার সঙ্গে কেজিবির অফিসে ।
-- কিন্তু আমি তো সরকার বলতে আমেরিকান সরকারকে বোঝাতে চেয়েছি ।
-- বাজে কথা রাখুন ।যে সরকারকে কোথাও ঠেকাতে ইচ্ছে হয় না তা নির্ঘাৎ আমাদেরটা ।



 

  Advertisement