Jokes Category
|
New Added Jokes
তিন্নি: হিল্লোল খুব ভালো ছেলে। যা বলি তা-ই শোনে। বাইরের সব রাগ ওর ওপর ঝাড়ি, কিন্তু নীরবে সয়ে যায় সব। সে কারণেই তিন বছরের সংসার আজও টিকে আছে। হিল্লোল: ব্ল্যাক ম্যাজিক, যা দিয়ে তিন্নি আমাকে বশ করেছে। তাই তো সংসার সুখের আছে। জুয়েল আইচ: কেননা আমার হাতে জাদু আছে। বিপাশা আইচ: প্রায় ২৫ বছরের সংসার আমাদের। পাসপোর্টের মতো প্রতি পাঁচ বছর পরপর নবায়ন করাই। সে কারণেই এত দূর পথচলা। বাপ্পা মজুমদার: ছেলেবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল মঞ্চে নাচব-গাইব। গান পারলেও নাচটা এখনো শিখতে পারিনি। চাঁদনীর কল্যাণে হয়তো সেটিও শেখা হয়ে যাবে। সেই আশাতেই সংসার করছি। চাঁদনী: ঘরেই তো রয়েছে সংগীতশিল্পী। তাই টাকা খরচ করে সিডি কিনতে হয় না। এমন সুযোগ কি হাতছাড়া করা যায়! দুই বছর ধরে এভাবেই সংসার করছি। শিমুল: বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার সময় আমরা বিয়ে করেছিলাম। সংসারে সেই মন্দার সঙ্গে রয়েছে অশান্তির মন্দাও। তাই তো সংসারে শান্তিই শান্তি। এভাবেই কেটে গেল বিয়ের প্রথম বছর। নাদিয়া: ওর মতো ভালো পাহারাদার (বডিগার্ড) আর কে হতে পারে? কার সাধ্য ওর উচ্চতা ছাপিয়ে আমায় আক্রমণ করে। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই সংসার করছি। তানিয়া আহমেদ: বিয়ের পর থেকেই কালা-বধির হয়ে গেছি। এস আই টুটুল: ১১ বছরের সংসারজীবনে বহুবার মাথার ব্যান্ডানা হারিয়েছি। বিনা প্রতিবাদে তানিয়া আমাকে নিত্যনতুন ব্যান্ডানা কিনে দেয়। এটিই আমার গোপন কথা। বিজরী বরকতউল্লাহ: বিয়ের সময় দিল্লির লাড্ডু পুরোটা খাইনি। সঙ্গে ভালো বাসা তো আছেই। শওকত আলী ইমন: স্ত্রীর কথা এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বের করে দিই। অপর কানেও পৌঁছাতে দিই না। ১৫ বছর ধরে সংসারজীবন এভাবেই পার করেছি। নাতাশা হায়াত: একটু রহস্য থাকুকই না! শাহেদ শরীফ খান: কথিত আছে, ‘বধির স্বামী ও অন্ধ স্ত্রী হলো ভালো দম্পতি।’ সাত বছর ধরে এই বধির স্বামীরূপে জীবন কাটাচ্ছি। সারা যাকের: সংসারের আসল রহস্যটা উদ্ঘাটনের আশায় তিন যুগ ধরে সংসার করে যাচ্ছি। আলী যাকের: আমার ঘাড়ে কয়টা মাথা? সংসার না করে উপায় আছে? তারিক আনাম: দীর্ঘ ২৫ বছর বউয়ের চোখ রাঙানো দেখেই কাটিয়ে দিলাম। নিমা রহমান: শার্লক হোমস বা ফেলুদাই পারবে এর উত্তর দিতে। হূদি হক: সংসার হলো সঙ+সার। সঙের সেই রংগুলো আবিষ্কার করার জন্যই এত দিন ধরে সংসার করছি। লিটু আনাম: হূদির সঙ্গে ন্যূনতম এক হাজার বছর থাকতে চাই। মাত্র তিন বছর কেটেছে। আরও ৯৯৭ বছর কাটানোর আশায় সংসার করে যাচ্ছি। ক্যাবলার দ্রুত গাছে ওঠা দেখে নিচ থেকে এক বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘কী রে ক্যাবলা, তুই গাছের ওপর কী করিস?’ ক্যাবলা বলল, ‘আপেল খেতে এসেছি।’ এ কথা শুনে বন্ধুটি হাসতে হাসতে বলল, উঠেছিস আমগাছে আর বলছিস কিনা আপেল খাবি!’ ‘আরে বোকা এতে দাঁত বের করে হাসার কী আছে? আমি তো দুটো আপেল পকেটে নিয়েই গাছে উঠেছি’ —ক্যাবলার জবাব। নারী: আমি তোমাকে… পুরুষ: আমিও তোমাকে… নারী: আমি বহুদিন ধরে স্বপ্ন দেখে এসেছি, এই দিনটির… পুরুষ: এই জীবনে এর চেয়ে তীব্রভাবে আর কিছু চাইনি আমি… নারী: তোমার সবাই রাজি হবে তো? পুরুষ: আমার পক্ষের কাউকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তোমার দিক থেকে কেউ বিরোধিতা না করলেই হলো… নারী: আমার পক্ষের সবাই বহু আগে থেকেই রাজি… পুরুষ: চমত্কার… নারী: অবশেষে তুমি আর আমি… পুরুষ: হ্যাঁ, চলো, যাওয়া যাক… নারী: চলো… তারা দুজন চলল ডিভোর্সের কাগজপত্র জমা দিতে। নেটে অনুশীলনের সময় কোচ দেখলেন, কোনো ব্যাটসম্যানই ফাস্ট বোলারদের সামলাতে পারছেন না। খেপে গিয়ে তিনি নিজেই ব্যাট হাতে দাঁড়ালেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি নিজেও প্রথম বলে আউট হয়ে গেলেন। এরপর তিনি ব্যাটসম্যানদের উদ্দেশে চেঁচিয়ে বললেন, ‘ঠিক এভাবেই তোমরা ব্যাট করছিলে। এবার ভালো কিছু করার চেষ্টা করো।’ মিসরের একটি পুরোন জিনিসের দোকানে এক পর্যটক ঢুকলেন। দোকানদার এগিয়ে এসে তাঁকে নানান জিনিস দেখাতে লাগল। সামনের একটি শো-কেসে একটি নর করোটি দেখতে পেয়ে পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , “এই করোটি কার?” “এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার,” সবিনয়ে জানালো দোকানদার । কিছুক্ষন বাদে ঘুরতে-ঘুরতে আর একটি খুলি চোখে পড়ল পর্যটকের। আগেরটির চেযে এই করোটি আকারে সামান্য ছোট। পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , “এই করোটি কার?” দোকান দার বলল “এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার হুজুর তবে এটা তাঁর ছোটবেলার করোটি।
|
||||||||||||||||||||||||||